চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলা জঙ্গলছলিমপুর পাহাড়ি এলাকায় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে ইয়াছিন ও রোকন-গফুর বাহিনীর দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের সংঘর্ষে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রোকন বাহিনীর একজন নিহত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ। তবে ঘটনার পরে রোকন বাহিনীর অনেক সদস্য নিখোঁজ রয়েছে। জঙ্গল সলিমপুরের বাসিন্দারা ধারণা করছেন যারা নিখোঁজ রয়েছে তাদেরকেও হয়তো মেরে ফেলা হয়েছে। নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি। সংঘর্ষের সময় উভয় গ্রুপের প্রায় ২৫ থেকে ৩০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে।
শনিবার (৪ অক্টোবর) ভোররাতে উপজেলার জঙ্গলছলিমপুর ও আলিনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। দুই গ্রুপের আধুনিক অস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রের ঝনঝনানিতে আতঙ্ক বিরাজ করছে জঙ্গল ছবিমপুরে বাসিন্দাদের মাঝে।
গুলিবিদ্ধ সন্ত্রাসীদের মধ্যে রয়েছে,
জাবেদ (৩৮), জাকির (৪৮), তানভীর (২৩), সিরাজুল ইসলাম (৪৩), ফজলুল করিম, ইসমাইল হোসেন বাবু(৩০) জাহিদুল ইসলাম (১৯), সৌরভ বড়ুয়া (১৭) মো. পারভেজ (২০), নুরুল আলম (৪০), শুক্কুর আলম (২২), রায়হান (১৮), শামীম (২৯)। তবে ইয়াছিন বাহিনীর কতজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে তার তথ্য জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার ভোররাতে স্থানীয় ছলিমপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোকন মেম্বার ও গোলাম গফুর নেতৃত্বে ছলিমপুর, ফৌজদারট, আল মদিনা, সিডিএ, ফকিরহাট, বাংলাবাজার, শেরশাহ এলাকার শতাধিক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী জঙ্গলছলিমপুর আলিনগর দখল করতে যায়। এসময় আলিনগর দখলে থাকা সন্ত্রাসী ইয়াছিন বাহিনীর সদস্যরা তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে আসে।এতে রোকন-গফুর বাহিনী অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।এতে ১৩জন সন্ত্রসী গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ঘটনার পর রোকন বাহিনীর একাধিক সদস্য নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সীতাকুণ্ড সার্কেল সহকারী কমিশনার লাবিব আবদুল্লাহ বলেন, দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন মারা গেছে। তবে তার নাম পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গুলিবিদ্ধ ১৩জনের নাম নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |