চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ১১ অক্টোবর:
আসন্ন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী মো. মিজান মিয়া কার্যনির্বাহী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী মিজান মিয়া-এর প্রার্থীতা ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে দারুণ সাড়া ফেলেছে। একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী হিসেবে মূল ধারার ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে।
মিজান মিয়ার বক্তব্য:
এ প্রসঙ্গে মো. মিজান মিয়া বলেন,“জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল একটি ছাত্রবান্ধব সংগঠন। এটি সব সময় ছাত্রদের অধিকার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে। শুধু সাধারণ শিক্ষার্থী নয়, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকেও মূল স্রোতে আনার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে ছাত্রদল।”
তিনি আরও বলেন,“একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী হিসেবে আমি জানি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা এখনও অনেক মৌলিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আমি নির্বাচিত হলে এই বৈষম্য দূর করতে কাজ করব।”
বিশেষ উদ্যোগের ভাবনা:
মিজান মিয়া জানান, তিনি চান বিশ্ববিদ্যালয়ে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আলাদা ক্লাব গড়ে উঠুক। যেখানে ব্রেইল পদ্ধতি, শ্রুতি লেখক ব্যবস্থা, ও মানসিক সহযোগিতার মতো বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে কাজ হবে।
“আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রুতি লেখক বা ব্রেইল বইয়ের ব্যবস্থা নেই বললেই চলে। আমি চাই, এমন একটি ক্লাব গঠন হোক যা এই সমস্যাগুলোর টেকসই সমাধান খুঁজে বের করবে।”
চাকসু নির্বাচন সামনে:
আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৫ (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত চাকসু নির্বাচন। এই নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে রাজনৈতিক সংগঠনগুলো ইতোমধ্যেই তাদের প্রার্থী ও ইশতেহার ঘোষণা করেছে।
মো. মিজান মিয়ার অংশগ্রহণ প্রমাণ করছে—ছাত্ররাজনীতি শুধু বিতর্ক নয়, অন্তর্ভুক্তি ও সামাজিক ন্যায়ের ক্ষেত্রও হতে পারে।
সম্পাদকীয় মন্তব্য (ঐচ্ছিক):
মো. মিজান মিয়ার এই সাহসী পদক্ষেপ কেবল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নয়, গোটা দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় সমতার বার্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |