| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

জয়পুরহাটে ব্যানারে জিয়ার ছবি না থাকায় হট্টগোল, তদন্তের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

রিপোর্টারের নামঃ ডেস্ক নিউজ
  • আপডেট টাইম : 07-11-2026 ইং
  • 421 বার পঠিত
জয়পুরহাটে ব্যানারে জিয়ার ছবি না থাকায় হট্টগোল, তদন্তের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর
ছবির ক্যাপশন: জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকা ও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

জয়পুরহাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভার ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকা এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ ও ‘জাতির পিতা’ সম্বোধন করাকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। অন্যদিকে, ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় দুঃখপ্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠান শুরু করা সম্ভব হয়নি। বিএনপির নেতা-কর্মীদের আপত্তির মুখে জিয়াউর রহমানের ছবি-সংবলিত একটি পোস্টার কসটেপ দিয়ে ব্যানারে সাঁটানোর পর সভার কার্যক্রম শুরু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ের আগেই অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁকে ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকার বিষয়টি জানান। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে ওঠেননি। পরে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়াসহ কর্মকর্তারা মঞ্চে গিয়ে একটি পোস্টার ব্যানারে সাঁটিয়ে দেন। এরপর প্রতিমন্ত্রী মঞ্চে উঠলে নির্ধারিত সময়ের প্রায় আধা ঘণ্টা পর আলোচনা সভা শুরু হয়।

সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য নিয়ে বক্তব্য দেন জিয়া পরিষদের জয়পুরহাট পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মারুফ হাসান। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি শেখ মুজিবুর রহমানকে একাধিকবার ‘জাতির পিতা’ ও ‘বঙ্গবন্ধু’ বলে সম্বোধন করেন। এ নিয়ে সভাস্থলে উত্তেজনা ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ উত্তেজিত হয়ে মঞ্চের ডায়াসের দিকে এগিয়ে যান। পরে মারুফ হাসানকে ডায়াস থেকে সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং সভার কার্যক্রম আবার শুরু হয়। এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী।

ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ ওহাব। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের বিদায় হলেও প্রশাসনে এখনো ফ্যাসিবাদের দোসররা রয়ে গেছে বলে তাঁরা মনে করেন। এসব কর্মকাণ্ড সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে বিতর্কিত করতে পারে উল্লেখ করে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসনকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রধান বলেন, ১৯ বছর পর তাঁরা জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করছেন। অথচ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ঘিরে আয়োজিত অনুষ্ঠানের ব্যানারেই তাঁর ছবি ছিল না। বিষয়টিকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক উল্লেখ করে তিনি প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী অনুষ্ঠানের বিভিন্ন ত্রুটিবিচ্যুতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত হয়ে থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের প্রশাসককে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি।

এ ঘটনায় অনুষ্ঠানে দুঃখপ্রকাশ করেন জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়া। ব্যানারে ছবি না থাকার কারণ জানতে চাইলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ইন্টারনেট থেকে ছবি নিয়ে ব্যানারটি তৈরি করা হয়েছিল।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার শাহনাজ বেগম, সিভিল সার্জন আল-মামুন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন এবং জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের নেতা জগলুল আলমসহ অন্যরা।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ CHD News 24 - সাথে থাকুন পাশে আছি
ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট আইটি নগর