দীর্ঘ এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা তাপপ্রবাহের পর রোববার দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। তবে স্বস্তির বৃষ্টির সঙ্গে নেমে আসে ভয়াবহ বজ্রপাত। এতে গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, পঞ্চগড়, নাটোর ও বগুড়া জেলায় অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। বিভিন্ন এলাকায় গবাদিপশুও মারা গেছে।
সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে গাইবান্ধায়। জেলার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় বজ্রপাতে শিশুসহ পাঁচজন মারা যান। নিহতরা হলেন ফুয়াদ চৌধুরী (১০), রাফি চৌধুরী (১৫), মিজান মিয়া (২০), মানিক মিয়া (২৫) ও নম্বার আলী (৬৫)। একই ঘটনায় আরও একজন আহত হন এবং একটি গরু মারা যায়।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক ঘটনায় লাবণী আক্তার (৩৫) ও ইলিয়াস আলী (৩৭) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একজন ঘাস কেটে বাড়ি ফেরার পথে এবং অন্যজন মাঠে ফসল দেখতে গিয়ে বজ্রপাতে নিহত হন।
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায় বজ্রপাতে হোসেন আলী সেখ (২৫) ও আবদুল হামিদ (৫০) মারা যান। একজন মাঠে ধান জড়ো করছিলেন, অন্যজন বৃষ্টির মধ্যে মাঠে কাজ করছিলেন।
জামালপুরে বজ্রপাতে মর্জিনা বেগম (২২) ও হাসমত আলী (৪৫) নিহত হয়েছেন। এছাড়া চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ জেলায় পাঁচটি গরুরও মৃত্যু হয়েছে।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় চা-শ্রমিক সোহরাওয়ার্দী (২২) বজ্রপাতে মারা যান। তিনি মাত্র আট দিন আগে বিয়ে করেছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান। এ ঘটনায় আরও দুই শ্রমিক আহত হন।
নাটোরের সিংড়া উপজেলায় ধানকাটা শ্রমিক সম্রাট হোসেন (২৬) বজ্রপাতে মারা যান। ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে আশ্রয় নিতে গিয়ে তিনি বজ্রাঘাতে আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়ে কৃষক সুমন (৩৫) বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মাসের বাকি দিনগুলোতেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে। এতে চলমান তাপপ্রবাহ কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |