কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ পর্যটন নগরী কক্সবাজারে হোটেল মালিকদের নতুন আতন্ক কর্মকর্তাদের অর্থ আত্নসাৎ। ৫ই আগস্টের পট পরিবর্তনের পর নানা অস্থিরতা পর্যটন খাত এমনিতেই খারাপ সময় পার করছে। সেই সাথে প্রতিষ্ঠানের সাথে কর্মকর্তা -কর্মচারীদের আর্থিক প্রতারণা নতুন প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বে থেকে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের এক হোটেল থেকে দুই কোটিরও বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছে জনৈক মোঃ মাসুদুল ইসলাম। তার বাড়ি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায়। গত ২১ শে সেপ্টেম্বর প্রতারক মাসুদ - তার স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুই কোটি এক লাখ ২১ হাজার টাকা আত্মসাতের মামলা করা হয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। ( মামলা নং - ৫৯)
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে কক্সবাজারের আবাসিক হোটেল রামাদা কর্তৃপক্ষ মাসুদুলকে নির্বাহী পরিচালক হিসাবে নিয়োগ দেন। হোটেল মালিক তাকে বিশ্বাস করে সমস্ত আর্থিক লেনদেনের কর্তৃত্ব প্রদান করেন। একই সাথে আর্থিক লেনদেন করার নিমিত্বে চেক স্বাক্ষর করার অথরিটিও প্রদান করেছিলেন। এ সুযোগ গ্রহণ করে মাসুদুল নিজের স্ত্রী ফারিহা ও আরেক সহযোগী মোহাম্মদ ওয়াশি ইবতেদার সাথে যোগসাজশে মালিকের অজ্ঞাতসারে মোট দুই কোটি এক লাখ ২১ হাজার টাকা ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক থেকে ৩টি চেক ও নগদ ভাউচারের মাধ্যমে উত্তোলণ করে আত্মসাৎ করেন।
গত ২০ আগস্ট থেকে ২৬ আগস্টের মধ্যে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেন তারা। এর মধ্যে ২০ আগস্ট ৪৬ লাখ ৫৩ হাজার ৯৯ টাকা, ২৪ আগস্ট ৪২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৭৪ টাকা এবং ২৬ আগস্ট এক কোটি ছয় লাখ ৯৮ হাজার ৯১৬ টাকা তোলা হয়। এছাড়া নগদ ডেবিট ভাউচারের মাধ্যমে তুলে নেওয়া হয় চার লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
মামলার বাদি আহমুদুল হাসান বলেন, বিশ্বাস ভঙ্গ করে হোটেলের অর্থ আত্মসাতের পর তিনি হোটেল মালিককে প্রকাশ্যে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। পরবর্তীতে হোটেল কর্তৃপক্ষ তাদের তিনজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও তারা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে। '
কক্সবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইলিয়াস খান বলেন, ' আসামীদের বিরুদ্ধে প্রতারণা করে দুই কোটি একলাখ টাকা আত্নসাতের মামলা নেয়া হয়েছে। পর্যটন ব্যবসার স্বার্থ সংশ্লিস্ট বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছে পুলিশ। '
এদিকে, প্রতারক মাসুদুলকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরিয়ে দিতে সর্বসাধারণের কাছে আবেদন জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ভুক্তভোগী হোটেল কর্তৃপক্ষসহ কক্সবাজারের অন্যান্য হোটেল মালিকেরা। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ৫ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে মামলার বাদী সংশ্লিষ্ট হোটেল কর্তৃপক্ষ। বিশ্বাসঘাতক ও প্রতারক মাসুদুল, ফারিয়া ও ওয়াশি ইবতেদাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |