ঢাকা, ৪ নভেম্বর ২০২৫ — দেশের রপ্তানি খাতকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক করার লক্ষ্যে সরকার নতুন উদ্ভাবনী সুবিধা ঘোষণা করেছে। এতে বিশেষভাবে আংশিক রপ্তানিকারক শিল্পগুলোকে লক্ষ্য করে ব্যাংক গ্যারান্টি প্রদত্ত বন্ড সুবিধা চালু করা হবে। এই সুবিধার মাধ্যমে রপ্তানিকারকরা কাঁচা উপাদান বা উৎপাদন উপকরণ আমদানি করতে পারবে শুল্কমুক্ত সুবিধার সঙ্গে।
বিআইডিএ ও এনবিআরের যৌথ উদ্যোগে এই সুবিধা প্রদান করা হবে। বিজনেস বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি রপ্তানি খাতের জন্য একটি বড় প্রণোদনা হবে, বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি আকারের শিল্পগুলোকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও সক্রিয় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সাহায্য করবে।
প্রধান সুবিধাসমূহ
আংশিক রপ্তানিকারকসহ সকল রপ্তানিকারক এখন বন্ড সুবিধা পাবেন, যা তাদের কাঁচামাল আমদানি ও উৎপাদন খাতে সহায়তা করবে।
পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বন্ড সেবা চালু করা হবে, যাতে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার ঝামেলা কমে এবং দ্রুত সুবিধা পাওয়া যায়।
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের জন্য সরকার থেকে সরাসরি সহায়তা প্রদান করা হবে, যা রপ্তানিকারকদের নতুন বাজারে প্রবেশে সহায়ক হবে।
রপ্তানিকারকরা নির্দিষ্ট শর্তে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবেন।
প্রশাসনিক মন্তব্য
বিআইডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন, “আমাদের লক্ষ্য রপ্তানিকে আরও সম্প্রসারিত করা। এই ধরনের প্রণোদনা শিল্পকে শক্তিশালী করবে এবং রপ্তানিকেও বিস্তৃত করবে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলো এটি থেকে সর্বাধিক সুবিধা পাবে।”
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, “বন্ড সুবিধা ও স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের মাধ্যমে রপ্তানিকারকরা সহজেই আমদানির কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন। এটি রপ্তানিতে সময় ও খরচ দুই-ই কমাবে।”
বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই প্রণোদনা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের জন্য একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। দেশি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন সুযোগ পাবেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের প্রোডাক্টের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও দৃঢ় হবে।
প্রত্যাশা
সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পাবে, বৈদেশিক বিনিয়োগ আরও আকৃষ্ট হবে, এবং দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে আংশিক রপ্তানিকারক শিল্পের জন্য এটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |