চট্টগ্রামে চেকপোস্টে আটকের পর পুলিশি হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসান। তিনি দাবি করেন, কোনো কারণ ছাড়াই তাকে সিএনজি অটোরিকশা থেকে নামিয়ে কলার চেপে ধরে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সারারাত আটকে রাখা হয়।
শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নাঈম হাসান ও তার পরিবার এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
নাঈম বলেন, বিমানবন্দর থেকে বাসায় ফেরার পথে তাকে একটি চেকপোস্টে থামানো হয়। পরে অন্য একটি সিএনজিতে উঠতেই পুলিশ তার কলার চেপে ধরে থানায় নিয়ে যায়। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে তার ব্যাগ বা অন্য কোনো কিছু তল্লাশি না করেই তাকে থানায় নেওয়া হয়েছিল।
থানায় ওসির আচরণের বিষয়ে নাঈম বলেন, নিজের পরিচয় দেওয়ার পর ওসি তাকে ‘চোখ নিচে নামিয়ে কথা বল’ বলে নির্দেশ দেন। তবে কিছুক্ষণ পর একটি ফোন কল পাওয়ার পর তার আচরণ পুরোপুরি বদলে যায়। তখন তিনি ‘ভাইয়া আপনি বসেন’ বলে সম্বোধন করেন।
তল্লাশি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাঈম বলেন, তার ব্যাগ সারারাত থানায় পড়ে ছিল। পরে তিনি নিজেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সামনে ব্যাগ খুলে ক্রিকেট সরঞ্জাম ও অন্যান্য সামগ্রী দেখান। তল্লাশিতে কোনো সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
ঘটনার রাতে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন নাঈম। মোবাইল ফেরত পাওয়ার পর তিনি জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে ফোন করেন। তার দাবি, তামিম ইকবালের সঙ্গে কথা বলার সময়ও ওসি ভুল তথ্য দিচ্ছিলেন এবং তাকে চুপ থাকতে ইশারা করছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নাঈমের বাবা ও সাবেক কাউন্সিলর মাহবুবুল আলম পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারকে নিয়ে ভুল তথ্য কে দিয়েছে এবং এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা তদন্ত করে বের করা উচিত।
পুলিশের বিভাগীয় ব্যবস্থার সমালোচনা করে তিনি বলেন, শুধু সাময়িক বরখাস্ত করাই যথেষ্ট নয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রয়োজন।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |