চলমান মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে জাতীয় শ্রমিক শক্তি। একই সঙ্গে আন্দোলনে কোনো ধরনের সহিংসতা, হামলা কিংবা বলপ্রয়োগ না করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। আগামী তিন দিনের মধ্যে শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ ও কার্যকরের দাবি জানিয়েছে তারা।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নেতারা এসব দাবি তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ও সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ।
তিনি বলেন, সরকার ও মালিকপক্ষ মজুরি বোর্ড গঠনের নামে দলীয়করণ করে নিজেদের পছন্দের লোকদের বসিয়েছে। শ্রমিকেরা এ প্রক্রিয়া মেনে নিচ্ছেন না। সরকারের বিভিন্ন সময়ে নেওয়া অপরিপক্ব সিদ্ধান্তের কারণেই শ্রমিকদের আন্দোলন বর্তমান পর্যায়ে পৌঁছেছে। শিল্পকারখানা রক্ষার স্বার্থে বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে হবে।
জাতীয় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম ফকির বলেন, আগে থেকেই তাঁরা মজুরি বোর্ড গঠন করে নতুন মজুরি নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু এ বিষয়ে শ্রমমন্ত্রী ব্যর্থ হয়েছেন। এ কারণে তাঁরা শ্রমমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করছেন। আগামী তিন দিনের মধ্যে নতুন মজুরি নির্ধারণ করতে হবে বলেও তিনি দাবি জানান।
সংগঠনটির সদস্যসচিব রিয়াজ মোর্শেদ প্রশাসনের প্রতি শ্রমিকদের আন্দোলনে হামলা না চালানোর আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের ভাইদের কাছে অনুরোধ, আপনারা শ্রমিকদের আন্দোলনে হামলা করবেন না। আমরা আওয়ামী আমলের পুলিশ দেখতে চাই না।’
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতা-কর্মী ও পুলিশের যৌথ মদদে শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের হামলা ও দমন-পীড়ন অব্যাহত থাকলে সাধারণ শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আরও বৃহত্তর ও ভিন্ন রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেন তাঁরা।
বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে শ্রমিকদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ করা জরুরি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে দ্রুত সহনশীল ভূমিকা পালন এবং শ্রমিকদের দাবির প্রতি ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান জাতীয় শ্রমিক শক্তির নেতারা।
| ফজর | ৪:৩৮ - ৫:৫৩ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৩৮- ২:৫২ দুপুর |
| আছর | ২:৫৩ - ৫:১৮ বিকাল |
| মাগরিব | ৫:১৯-৬:৩৪ সন্ধ্যা |
| এশা | ৬:৩৫-৪:৩৭ রাত |
| জুম্মা | ১১:৩৮-২:৫২ দুপুর |