দেশে চলমান লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব এবার মোবাইল নেটওয়ার্ক অবকাঠামোয় পড়েছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ অনিয়মিত হওয়ায় মোবাইল অপারেটররা এখন প্রায় পুরোপুরি জেনারেটরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিন জ্বালানির চাহিদা বেড়ে প্রায় এক লাখ লিটারে পৌঁছেছে।
মোবাইল অপারেটরদের তথ্যমতে, বিটিএস সচল রাখতে প্রতিদিন ৫২ হাজার ৪২৫ লিটার ডিজেল ও ১৯ হাজার ৮৫৯ লিটার অকটেন ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া ডেটা সেন্টার ও সুইচিং অবকাঠামো সচল রাখতে আরও ২৭ হাজার ১৯৬ লিটার ডিজেল প্রয়োজন হচ্ছে।
অপারেটরদের আশঙ্কা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সরবরাহে আরও বিঘ্ন ঘটলে প্রথমে গ্রামীণ ও প্রান্তিক অঞ্চলে নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়বে। পরে শহরাঞ্চলেও কল ড্রপ, ধীরগতির ইন্টারনেট এবং আংশিক নেটওয়ার্ক অচল হওয়ার ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।
এ পরিস্থিতিতে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব বিটিআরসিকে জরুরি চিঠি দিয়ে কোর নেটওয়ার্ক ও ডেটা সেন্টারে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, বিটিএস সাইটে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সংযোগ, সরাসরি জ্বালানি সরবরাহ এবং জ্বালানি পরিবহনে বাধা না দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
বিটিআরসি জানিয়েছে, টেলিযোগাযোগ একটি জরুরি সেবা। এটি সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |