আওয়ামীলীগ সরকার পতনে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে অনুপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যানরা এ অবস্থায় কাজ চালাতে প্যানেল চেয়ারম্যান কিংবা প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক পরিপত্রে অবিলম্বে এটি কার্যকরের কথা জানানো হয়েছিল সে সময় ।
তুমুল গণআন্দোলনে গত ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫ বছরের ক্ষমতার অবসান ঘটে। এরপর সহিংস পরিস্থিতিতে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত আওয়ামী লীগ সমর্থিত জনপ্রতিনিধিরা আত্মগোপনে চলে যায়। ধারাবাহিকভাবেই তারা কর্মস্থলে অনুপস্থিতও থাকছেন তারা।
এ অবস্থায় স্থানীয় সরকারের এসব অঙ্গপ্রতিষ্ঠানে বিকল্প নেতৃত্ব দিয়ে কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
স্থানীয় সরকারের জারি কার পরিপত্র অনুযায়ী, দেশের যেকোনো ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে জনসাধারণের সেবাকাজ বিঘ্নিত হলে সেখানে বিভাগীয় কমিশনার বা জেলা প্রশাসকরা নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত প্যানেল চেয়ারম্যানদেরকে আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা অর্পণ করেন। তেমনি সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন কে উপজেলা প্রশাসন হতে প্রশাসনিক ক্ষমতা অর্পন করে। এছাড়া মহিউদ্দিন তার দক্ষতা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে একটি সুন্দর ইউনিয়ন পরিষদ গড়ে তুলায় গত (০৭ আগস্ট) ০৫.৪২.১৫০০.৭০১.৭০.০১৪.২৫.৫১২ স্মারক মূলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয় হতে ১৭ নম্বর সোনাকানিয়া ইউনিয়ন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যান নং ০১ মহিউদ্দিন কে প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতায় নিযুক্ত করা হয়।
এরি ধারাবাহিকতায় গত (১৩ আগস্ট) দায়িত্ব অর্পনকারী সহকারী কমিশনার ( ভুমি) সাতকানিয়া, কপিল উদ্দিন মাহমুদ স্বাক্ষরিত একটি পরিষদের বিজ্ঞপ্তিতে মহিউদ্দিনকে দায়িত্বভার অর্পন করা হয় ।
এদিকে নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন বলেন, আমি শুধু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নয়, আমি পরিষদের প্রধান নির্বাহী এবং জনগণের সেবক । আমি পরিষদের সকল কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে এবং ইউনিয়নের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করার চেষ্টা করবো। চেয়ারম্যান পরিষদের সভা আহবান করে সকল ইউপি সদস্যদের নিয়ে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব এবং এলাকার শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য কাজ করে যাব।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |