জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের অবকাঠামোকে আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও ইবাদতবান্ধব করতে ১৯৯ কোটি টাকার একটি নতুন সৌন্দর্যবর্ধন ও উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পটিকে বায়তুল মোকাররমের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় উন্নয়ন উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানান, মসজিদের প্রতিদিনের বিশাল জনসমাগম, রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যা ও পুরনো অবকাঠামোর কারণে দীর্ঘদিন ধরেই আধুনিকায়নের প্রয়োজন ছিল। নতুন প্রকল্পের মাধ্যমে ভেতর এবং বাইরে—উভয় অংশের সার্বিক উন্নয়ন করা হবে।
🔧 কোন কোন উন্নয়ন করা হবে
অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন
অত্যাধুনিক সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন
নতুন বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন, জেনারেটর ও ব্যাকআপ ব্যবস্থা
নামাজঘর, বারান্দা এবং গ্যালারিতে নতুন আলোকসজ্জা ও ভেন্টিলেশন
অজুখানা, টয়লেট ও ওয়াশিং এরিয়া পুনর্নির্মাণ
পুরো মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাকে আধুনিক রূপ দেওয়া
বহিরাঙ্গন উন্নয়ন
মসজিদের চারপাশে সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়ন
নতুন বা সংস্কারকৃত প্রবেশদ্বার, ওয়াকওয়ে ও চত্বর এলাকা
আধুনিক অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ফায়ার হাইড্রেন্ট সংযোজন
নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য পেশাদার ব্যবস্থাপনা
মুসল্লিদের জন্য আরও উন্মুক্ত বসার জায়গা ও সহজ চলাচল পথ
ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব উন্নয়ন কাজ শেষ হলে মসজিদে প্রতিদিনের নামাজ, জুমা, তারাবি এবং বড় জামাতে অংশগ্রহণকারীদের জন্য সুবিধা আরও বৃদ্ধি পাবে।
📢 কর্তৃপক্ষের মতামত
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন,
“জাতীয় মসজিদের মর্যাদা বজায় রাখার পাশাপাশি মুসল্লিদের জন্য আরামদায়ক পরিবেশ রাখতে প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি সম্পন্ন হলে বায়তুল মোকাররমের ভৌত ও ধর্মীয় পরিবেশ নতুন মাত্রা পাবে।”
তিনি মুসল্লিদের সচেতনতা ও সহযোগিতারও আহ্বান জানান—বিশেষ করে অজুখানা, টয়লেট এবং মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিষ্কার রাখার ক্ষেত্রে।
২০১৯ সালে প্রায় ২.৭ কোটি টাকার একটি স্বল্প পরিসরের সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়। তবে এবার ১৯৯ কোটি টাকার এই উদ্যোগটি পূর্বের তুলনায় বহু গুণ বড় এবং কাঠামোগতভাবে আরও বিস্তৃত।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |