কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট চুরি ও কেন্দ্র দখলের যেকোনো অপচেষ্টা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ইউছুফপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ভারতীয় আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে আয়োজিত পথসভা ও উঠান বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করে বলেন, একটি চিহ্নিত গোষ্ঠী ইতোমধ্যে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো শুরু করেছে। যেসব ব্যক্তি অতীতে দুর্নীতি, লুটপাট ও ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে শাস্তি ভোগ করেছে, তারাই আবারও কেন্দ্র দখল ও ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ক্ষমতায় ফেরার ষড়যন্ত্র করছে। তবে দেবিদ্বারের মানুষ এখন সচেতন—তারা আর কোনো দুর্নীতিবাজ ও লুটেরাদের বিশ্বাস করবে না।
তিনি বলেন, “যারা একসময় খাম্বা চুরি, মিটার চুরি ও ট্রান্সমিটার চুরির সঙ্গে জড়িত ছিল, দেবিদ্বারের জনগণ তাদের আর ভোট দেবে না। জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে কেউ ক্ষমতায় গেলে তা সম্মানের নয়, বরং লজ্জার।”
সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “কেউ যদি আমার বিপক্ষ প্রার্থীকে ভোট দেয়, তবুও সেই ভোটার যেন নিরাপদে কেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে—আমি সেটি নিশ্চিত করব। ভোট ডাকাতির মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার রাজনীতি আমরা সমর্থন করি না।”
তিনি আরও বলেন, “চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান হয়েছে একটি ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে। তরুণ সমাজ রক্ত দিয়ে ফ্যাসিবাদ ও লুটপাটের রাজনীতির অবসান ঘটাতে চেয়েছে। অথচ একটি অপশক্তি আবারও ভোট লুটের মাধ্যমে সেই ফ্যাসিবাদ ফিরিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।”
পথসভা থেকে তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘জুলাই সনদের’ পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণের ঐক্যই পারে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে এবং রাষ্ট্রকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে।
পদযাত্রা ও জনসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সভায় বক্তারা অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন এবং দেশে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |