চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বারৈয়ারঢালা ইউনিয়নে কোরআনের হেফজ সম্পন্নকারী ৩৫ জন শিক্ষার্থীকে পাগড়ি পরিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। মাহমুদুল হক ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হাসিনা আক্তার হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার বিকেলে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে পাগড়ি প্রদান অনুষ্ঠান উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অভিভাবকরা সন্তানদের এমন কৃতিত্বে আবেগাপ্লুত ও উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাহমুদুল হক ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসা ও হাসিনা আক্তার হাফেজিয়া মাদ্রাসার সভাপতি জয়নাল আবেদীন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. আলী হুসাইন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. আলী হুসাইন বলেন, “একজন কোরআনের হাফেজ পুরো পরিবারের জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে অশেষ রহমত ও বরকতের দরজা খুলে দেন। তিনি কোরআনের হেফাজতকারী ও আল্লাহর বাণীর বাহক। এ কারণে হাফেজ যেমন মর্যাদাবান, তেমনি তার পিতা-মাতাও অনন্য সম্মানের অধিকারী হন।”
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজ যারা পাগড়ি গ্রহণ করেছে, তারা ভবিষ্যতে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে মা-বাবা ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম বয়ে আনবে।”
পাগড়ি প্রাপ্ত হাফেজ সাফায়েতের মা রিনা আক্তার বলেন, “ছেলের জন্মের আগেই নিয়ত করেছিলাম তাকে কোরআনে হাফেজ হিসেবে গড়ে তুলব। হেফজখানায় ভর্তি করানোর পর অনেক কষ্টের সময় গেছে। সব সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করেছি তিনি যেন আমার ছেলেকে কবুল করেন। আজ ছেলের মাথায় পাগড়ি দেখে মনে হচ্ছে আল্লাহ তায়ালা তাঁর সর্বোচ্চ নেয়ামত আমাকে দিয়েছেন।”
তিনি বলেন, “একজন সন্তানকে কোরআনে হাফেজ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে মা-বাবার দৃঢ় মনোবল ও ধৈর্য অপরিহার্য।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিক্যাল জামে মসজিদের খতিব মাওলানা বোরহান উদ্দিন। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন মাওলানা ইব্রাহিম খলিল মাসুদ, হাফেজ তারেক ও মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিনসহ স্থানীয় আলেম ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |