আইএসডিই বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে এবং কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার-এর সহায়তায় বাংলাদেশের ৬০ হাজার দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য প্যাকেট বিতরণ করা হবে।
এর মধ্যে ৪২ হাজার প্যাকেট রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য এবং ১৮ হাজার প্যাকেট কক্সবাজারের স্থানীয় হোস্ট কমিউনিটির জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আইএসডিই’র “ইমারজেন্সি ফুড অ্যাসিসটেন্স ফর রোহিঙ্গা অ্যান্ড হোস্ট কমিউনিটি ইন বাংলাদেশ” প্রকল্পের আওতায় এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি চাল, ৭ কেজি ডাল, ৩ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি চিনি ও ১ কেজি লবণসহ খাদ্য প্যাকেট দেওয়া হবে।
গত ২ মার্চ ২০২৬ ঢাকায় সৌদি দূতাবাসে আয়োজিত এক অনানুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সৌদি দূতাবাসের উপ-রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম আলাহমারি। এসময় উপস্থিত ছিলেন কিং সালমান এইডের প্রতিনিধি আবদুল রহমান আল-মুতাইরী এবং আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
কর্মসূচির আওতায় ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ধাপে ধাপে খাদ্য প্যাকেট বিতরণ করা হচ্ছে। ৩ মার্চ মহাখালী ও মিরপুর এলাকায়, ৪ মার্চ মোহাম্মদপুর ও আদাবরে এবং ৫ মার্চ ধানমন্ডির রায়েরবাজার এলাকায় কয়েক হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়।
কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বাংলাদেশসহ মোট ১৫টি দেশে এই বৈশ্বিক খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপ-রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম আলাহমারি বলেন, সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়।
আইএসডিই বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন বলেন, পবিত্র রমজান মাসে মানুষের ব্যয় বৃদ্ধি পায়। এই খাদ্য সহায়তা সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |