| বঙ্গাব্দ
ad728
ad728

অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বিপাকে যুবদল নেতা

রিপোর্টারের নামঃ ‎সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি
  • আপডেট টাইম : 24-05-2026 ইং
  • 5172 বার পঠিত
অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বিপাকে যুবদল নেতা
ছবির ক্যাপশন: সীতাকুণ্ডের জঙ্গল ভাটিয়ারী গ্রামে এক কিশোরী ধর্ষিত হয় ষাটোর্ধ্ব মাহবুবুল আলম নামের এক ব্যক্তির হাতে।

সীতাকুণ্ডের জঙ্গল ভাটিয়ারী গ্রামে এক কিশোরী ধর্ষিত হয় ষাটোর্ধ্ব মাহবুবুল আলম নামের এক ব্যক্তির হাতে। ধর্ষণের শিকার হয়ে ওই কিশোরী গর্ভবতী হয়ে পড়েছিল এবং পরবর্তীতে তার গর্ভের সাত মাসের সন্তানটি হাসপাতালে নিয়ে নষ্ট করা হয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় যুবক রাকিব ধর্ষিতার পরিবারকে বাড়িঘর ভেঙ্গে ফেলাসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধামকি দিতে থাকে। এক দিকে মেয়ে শারীরিক অবস্থা অন্যদিকে  হুমকি ধামকি তাতে অসহায়ের হয়ে পড়ে মেয়ের বাবা মোহাম্মদ আবদুর রশিদ। এক পর্যায়ে স্থানীয় যুবদল নেতা ফয়জুল হকসহ বেশ কয়েকজন যুবক অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ায়। 

‎স্থানীয়দের দাবি ওই সময় যুবদল নেতা যদি অসহায় পরিবারের পাশে না দাঁড়াতো তাহলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে বড় ধরনের ক্ষতি হতো । এক পর্যায়ে স্থানীয়ভাবে সালিশি বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসা হয় এবং বৃদ্ধ মাহবুবুল আলমকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে কিশোরীর পরিবারকে দিতে বলা হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকাগুলো না দেওয়াতে বিষয়টি যুবদল নেতাকে জানায় ভুক্তভোগী পরিবার । এক পর্যায়ে যুবদল নেতা অসহায় পরিবারকে থানায় মামলা করতে বলেন। কিন্তু মামলায় ষাটোর্ধ্ব মাহবুবুল আলমকে প্রথম আসামি করা হলেও দ্বিতীয় নম্বর আসামি করা হয় যুবদল নেতা ফয়জুল হকসহ বেশ কয়েকজনকে। তাতে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। খোদ মেয়ের বাবা আবদুর রশিদ বলেন,এই ঘটনার মূল আসামি হল মাহবুবুল আলম, রাকিবসহ মোট পাঁচজন।  যাদেরকে আমি মামলা সাক্ষী হিসেবে বিবেচিত করেছি তারাই মামলার আসামি হয়ে আছে। এটা আমার ভুল হয়েছে এবং তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। কিন্তু পুলিশ বলছে মেয়ের বাবা বিভিন্ন ধরনের চাপে পড়ে একেকবার একেক ধরনের কথা বলছে। মামলার প্রধান আসামিকে ধরলে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।

‎এদিকে মেয়ের বাবার ভাষ্যমতে অভিযুক্ত রাকিবের সাথে কথা বলার জন্য তার মুঠোফোনে কল দিলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।  

‎স্থানীয় মুরুব্বি মো : ফজল হক বলেন, যুবদল নেতা ফয়জুল হক একজন ভালো ব্যক্তি হিসেবে সবাই চিনে। কিন্তু সে আজ অসহায় পরিবারে পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বিপদে পড়েছে। আমরা চাই ধর্ষণকারীর বিচার হোক কিন্তু যারা নিরপরাধ তারা এ মামলা থেকে মুক্তি পাক। 

‎সাইদুল হক নামে আরেক মুরুব্বী বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে যুবদল নেতা ফয়জুল হক স্থানীয়ভাবে ঘটনাটির মীমাংসা না করলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এখন শুনছি তাকে ওই মামলার ২ নং আসামী করা হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক। আমরা চাই মূল অপরাধীর শাস্তি হোক। 

‎এদিকে মামলার দ্বিতীয় নম্বর আসামি যুবদল নেতা ফয়জুল হক বলেন, আমি চাই এই অসহায় পরিবারের যারা ক্ষতি করেছে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হউক। কিন্তু আমি নিরপরাধ। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। 

‎মামলা তদন্তকারী ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির  এস আই ধনতোষ ত্রিপুরা বলেন, কিশোরীর বাবা বিভিন্ন চাপে পড়ে একেক সময় একেক কথা বলে। মূল আসামি গ্রেফতার হওয়া ছাড়া কিছুই বলা যাচ্ছে না। গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ad728
ad728
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ CHD News 24 - সাথে থাকুন পাশে আছি
ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট আইটি নগর