চট্টগ্রামের লোহাগাড়া স্বাস্থ্য বিভাগে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত এক কর্মকর্তার পদায়নকে ঘিরে স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ, উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
চন্দনাইশ উপজেলার সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবদুল্লাহ আল ইরফান'র বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনায় রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে হাসপাতালের জন্য বরাদ্দকৃত যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ না করেই বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেন।
বিষয়টি স্থানীয় ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পরবর্তী অডিট কার্যক্রমেও আর্থিক অনিয়ম ও তছরুপের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে।
এমন গুরুতর অভিযোগে অভিযুক্ত একজন কর্মকর্তাকে তদবির ও অর্থের বিনিময়ে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পদায়ন করা হয়েছে,এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় চরম প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
সচেতন মহল বলছে, এটি কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের প্রশ্ন নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের নিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি জড়িত একটি বিষয়। স্থানীয়দের আশঙ্কা, অতীতে যেভাবে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, তেমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে লোহাগাড়াতেও।
এতে স্বাস্থ্যসেবার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার বাধাগ্রস্ত হতে পারে। আরো অভিযোগ রয়েছে, চন্দনাইশে দায়িত্ব পালনকালে কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তায় তিনি বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
এ সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও অভিযোগ এখনো গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে।
স্বাস্থ্য খাতের মতো স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরে এ ধরনের বিতর্কিত কর্মকর্তার পদায়নকে অনেকেই, অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছেন।
আরও জানাযায়, সে ছাত্র জীবনে বর্তমান নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠনের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন এবং গত সরকারের আমলে সুবিধা ভোগী একজন কর্মকর্তা এছাড়াও গত ৫ আগস্ট এর পরে তাকে চন্দনাইশ হতে দিনাজপুরে শাস্তিমূলক বদলী করে দেওয়া হয়েছিল।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |