নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা এলাকায় চাঞ্চল্যকর স্ত্রী হত্যা মামলার প্রধান আসামি ঘাতক স্বামী মো. মিলন এবং তার সহযোগী সাহেদা আক্তার লাইজুকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন।
র্যাব জানায়, নিহত তাজনাহার বেগম (৩৫) হাতিয়া উপজেলার আল আমিন গ্রামের বাসিন্দা এবং গ্রেফতারকৃত মো. মিলনের প্রথম স্ত্রী। প্রায় ১৫ বছর আগে তাদের বিয়ে হয় এবং এই দম্পতির দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে মো. মিলন তার স্ত্রীকে ভরণপোষণ না দিয়ে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মারধর ও নির্যাতন করতেন। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানানো হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। সংসারের কথা ভেবে তাজনাহার বেগম সবকিছু নীরবে সহ্য করতেন বলে পরিবার জানিয়েছে।
গত ১২ মার্চ সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে পারিবারিক তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে স্বামী মো. মিলন ও তার সহযোগীরা তাজনাহার বেগমকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে লোহার রড দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে হাতিয়া থানায় পাঁচজনকে এজাহারভুক্ত এবং আরও ৩–৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় মামলার প্রধান আসামি মো. মিলন হালিশহর থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে ১৫ মার্চ বিকালে র্যাব-৭ ও র্যাব-১১ এর যৌথ আভিযানিক দল আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকার ছোটপুলে অভিযান চালিয়ে মো. মিলন (৪০) কে গ্রেফতার করে।
এরপর একই দিন বিকাল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে হালিশহর থানাধীন বড়পুল মোড় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আরেকটি অভিযানে মামলার ৪ নম্বর এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি ও মিলনের দ্বিতীয় স্ত্রী সাহেদা আক্তার লাইজু (৩০) কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
| ফজর | ৪:০৯ - ৫:২৮ ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১১:৫৯ - ৪:৩১ দুপুর |
| আছর | ৪:৩২ - ৬:২৫ বিকাল |
| মাগরিব | ৬:২৭ - ৭:৪৫ সন্ধ্যা |
| এশা | ৭:৪৬ - ৪:০৮ রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |